মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গু/লিতে নি/হ/ত বাংলাদেশি যুবকের লা/শ ৩৯ ঘন্টা পর হস্তান্তর সিলেট থেকে শীঘ্রই চালু হচ্ছে সালাম এয়ারলাইন্স শ্রীমঙ্গলে চক্ষু শিবির ও শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তোমাদের হাতেই: এসএসসি শিক্ষার্থীদের নাসের রহমান এমপি সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আসবে যে কোন সময় মারুফ সাত্তার আলী প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত ডিডাফের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্তৃতভাবে উপস্থাপনের অঙ্গীকার আজ প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে এক চোরাকারবারী নিহত

যুক্তরাজ্যে মানবপাচারের দায়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশির ১০ বছরের জেল

যুক্তরাজ্য অফিস
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ৫ জুলাই, ২০২৩
  • ২২৬ এই পর্যন্ত দেখেছেন

যুক্তরাজ্যে লরি দিয়ে মানবপাচারের সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনার অভিযোগ ওঠে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ হোসেনের (৫৪) বিরুদ্ধে। এভাবে তিনি মিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদ গড়েছিলেন বলেও অভিযোগ আনা হয়।

এ ঘটনায় গত সপ্তাহে লন্ডনের উডফোর্ড গ্রিনের বাসিন্দা হোসেনকে সাড়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে ব্রিটেনের স্নেয়ারর্সব্রুক ক্রাউন কোর্ট। হোসেনের সহযোগী নুর উল্লাহকেও আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওযূা হয়েছে।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মানব পাচারের টাকায় বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ত মোহাম্মদ হোসেনের ছিল বিলাসবহুল ব্যক্তিগত গাড়ির বহর।

ব্রিটেনের ন্যাশন্যাল ক্রাইম এজেন্সির (এনসিএ ) তদন্তে উঠে আসে, তার সন্তান বছরে ১২ হাজার পাউন্ড বেতনে ব্রিটেনের স্বনামখ্যাত প্রাইভেট স্কুলে পড়াশোনা করে। পূর্ব লন্ডনে একটি ক্যাফে ব্যবসার আড়ালে শত শত মানুষকে কোনও ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই আনা-নেওয়ার দায়ও আদালতে স্বীকার করেছেন তিনি।

ন্যাশন্যাল ক্রাইম এজেন্সির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোসেনের নেতৃত্বাধীন সংঘবদ্ধ এ চক্র ব্রিটেনে অবৈধভাবে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ১৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত আদায় করতো। আর ব্রিটেন থেকে সীমান্ত দিয়ে পার করে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে এক হাজার পাউন্ড করে নিত। কারণ ব্রিটেনে অবৈধভাবে প্রবেশের চেয়ে অবৈধ পথে বেরিয়ে যাওয়া কম ঝুঁকিপূর্ণ।

হোসেনের গ্যাংটি মানব পাচারে  ট্যাক্সি ও লরি ড্রাইভারদের একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করত। তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের হাতেনাতে আটক করার সময় পাচারকৃত নারী পুরুষ ও শিশুদের বিস্তারিত তথ্যসহ রীতিমত রেজিস্টার খাতা খুঁজে পান। এ চক্রটি পাচারের সময় কেউ ধরা পড়লে তাদের টাকা ফেরত দিত। পাচারকৃত মানুষদের রাখার জন্য পুর্ব লন্ডনের বেথনাল গ্রিনে আবাসন ব্যবস্থাও ছিল তাদের।

আদালতে হোসেন ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত মানুষ পাচারে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ব্রিটেনের ন্যাশন্যাল ক্রাইম এজেন্সির সিনিত্তর তদন্ত কর্মকর্তা ক্রিস হিল বলেছেন, চক্রটি যাদের পাচার করেছে তাদের মধ্যে খুন ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে পলাতক ব্যক্তিরাও আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

নিউজ/ যুক্তরাজ্য / কেএলি

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © ukbdtv.com
       
themesba-lates1749691102