রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্তৃতভাবে উপস্থাপনের অঙ্গীকার আজ প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে এক চোরাকারবারী নিহত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র বানানো আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ: পর্যটনমন্ত্রী তারেক রহমানকে যেভাবে জেআইসিতে নির্যাতন করা হয় আমরা যেন সোনার খনির ওপর বসে আছি, অথচ চামচ দিয়ে খনন করছি: বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এমপি নাসের রহমানের অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে সাভার থেকে গ্রেপ্তার-১ দলকে সুসংগঠিত ও জনমুখী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান-এমপি মুজিব এমপি নাসের রহমানের এআই তৈরী অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ঢাকা থেকে আ/সামি গ্রে/প্তা/র ঠাকুরগাঁওয়ে ইজিবাইক সহ গ্রেপ্তার ৪

থানকুনি পাতার উপকারিতা

সংবাদদাতার নাম :
  • খবর আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০২১
  • ২৯২ এই পর্যন্ত দেখেছেন

ইউকেবিডি ডেস্ক: গোল গোল খাঁজকাটা পাতা, আকারে একটি পয়সার থেকে কিছুটা বড়। তেতো স্বাদের এই পাতাটি আমাদের শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। অনেকে এর উপকারিতা সম্পর্কে জানেন না বলে ফেলে রাখেন অবহেলায়। বলছি থানকুনি পাতার কথা। অনেকে হয়তো জানেন এটি খেলে পেটের অসুখ সারে- ব্যস এটুকুই! কিন্তু থানকুনি আমাদের শরীরের বেশিরভাগ সমস্যারই সমাধানে কাজে লাগে। ভেষজগুণে সমৃদ্ধ থানকুনির রসে রয়েছে শরীরের জন্য প্রচুর উপকারী খনিজ ও ভিটামিন জাতীয় পদার্থ।কোথায় পাওয়া যায়উপকারী এই ভেষজ উদ্ভিদটি সাধারণত সঁ্যাতসেতে পরিবেশেই বেশি জন্মে। তাই পুকুরপাড় বা জলাশয়ের পাশে থানকুনির দেখা মেলে বেশি। গ্রামাঞ্চলে বাড়ির আশপাশে, রাস্তার পাশে কিংবা ক্ষেতের আইলে ছোট ছোট তারার মতো খাঁজকাটা এই পাতাগুলো দেখতে পাওয়া যায়। এখন শহরের বাজারগুলোতেও পাওয়া যায় থানকুনি পাতা।আরও যে নামে ডাকা হয়অঞ্চলভেদে এই পাতাটিকে টেয়া, মানকি, তিতুরা, থানকুনি, আদামনি, ঢোলামানিক, থুলকুড়ি, মানামানি, ধুলাবেগুন, আদাগুনগুনি নামে ডাকা হয়। থানকুনি পাতা শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয়, বিশেষ করে ভর্তা বা কাঁচাপাতা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। জেনে নিন থানকুনি পাতার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-শরীর সুস্থ রাখতেনানাভাবে সারা দিন ধরে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, রক্তে প্রবেশ করে। এসব বিষ যদি সময় থাকতে থাকতে শরীর থেকে বের করে দেয়া না যায়, তাহলে তা পরবর্তীতে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এই কাজটি করে থাকে থানকুনি পাতা। কীভাবে করে? এ ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায়গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে সহজ সমাধান পেতে খেতে পারেন থানকুনি পাতা। সে জন্য আধা লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিছরি এবং অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। তারপর সেই মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা এক সপ্তাহ করলেই দেখবেন উপকার মিলবে।হজম ক্ষমতা বাড়াতেথানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি করে। কারণ থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক এসিডের ক্ষরণ যাতে সঠিকভাবে হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।আমাশয় দূর করতেএ ক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। এভাবে টানা ৭ দিন খেলেই মিলবে সমাধান! এ ধরনের সমস্যা কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। প্রথমে পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা বেটে নিন। তারপর সেই রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মেশান। এই মিশ্রণটি দু চামচ করে, দিনে দুবার খেলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।জ্বর কমাতেজ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়। সেই সঙ্গে শারীরিক দুর্বলতাও কমে।ক্ষতের চিকিৎসায়থানকুনি পাতা শরীরে উপস্থিত স্পেয়োনিনস এবং অন্যান্য উপকারী উপাদান এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।পেটের অসুখ কমাতেঅল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভালো করে মিশিয়ে ভালো করে বেটে নিন। এই মিশ্রণটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনো ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়। সেই সঙ্গে কৃমির প্রকোপও কমে।কাশি কমাতে২ চামচ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়। আর যদি এক সপ্তাহ খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। সে ক্ষেত্রে কাশি একেবারেই নির্মূল হয়ে যাবে।ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতেথানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটাক্যারোটিন, ফ্‌য়াটি এসিডএবং ফাইটোকেমিক্যাল ত্বকে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কম বয়সে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে।চুল পড়া কমায়সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে। চুল পড়ার হার কমাতে আরেকভাবেও থানকুনি পাতাকে কাজে লাগাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে পরিমাণমতো থানকুনি পাতা নিয়ে তা থেঁতো করে নিতে হবে। তারপর তার সঙ্গে পরিমাণ মতো তুলসি পাতা এবং আমলা মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সবশেষে পেস্টটা চুলে লাগিয়ে নিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। ১০ মিনিট পরে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ২ বার এভাবে চুলের পরিচর্যা করলে চুল আরও সুন্দর হবে।য় যাযাদি হেলথ ডেস্ক

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © ukbdtv.com
       
themesba-lates1749691102