সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডিডাফের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্তৃতভাবে উপস্থাপনের অঙ্গীকার আজ প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে এক চোরাকারবারী নিহত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র বানানো আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ: পর্যটনমন্ত্রী তারেক রহমানকে যেভাবে জেআইসিতে নির্যাতন করা হয় আমরা যেন সোনার খনির ওপর বসে আছি, অথচ চামচ দিয়ে খনন করছি: বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এমপি নাসের রহমানের অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে সাভার থেকে গ্রেপ্তার-১ দলকে সুসংগঠিত ও জনমুখী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান-এমপি মুজিব এমপি নাসের রহমানের এআই তৈরী অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ঢাকা থেকে আ/সামি গ্রে/প্তা/র

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

গুম তদন্তে জাতিসংঘের প্রস্তাব মেনে নেয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৩৬ এই পর্যন্ত দেখেছেন

বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্তের জন্য বাংলাদেশকে জাতিসংঘের প্রস্তাব গ্রহণ করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। মূলত নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে গুমের ঘটনায় তদন্তের জন্য জাতিসংঘ প্রস্তাবিত স্বাধীন কমিশনের বিষয়টি মেনে নেয়ার জন্য এই আহ্বান জানানো হয়েছে।

বুধবার ( ৩০ আগস্ট) ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে’ এক বিবৃতিতে মানবাধিকার সংগঠনটি এই আহ্বান জানায়।

ইংরেজিতে তারা যে শিরোনাম করেছে, তার বাংলা অর্থ— বাংলাদেশ: জোরপূর্বক গুমের তদন্ত উন্মুক্ত করতে হবে। জাতিসংঘের তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। (গুমের শিকার) পরিবারগুলো দীর্ঘদিন উত্তরের জন্য অপেক্ষায় আছে।

এতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের হাতে জোরপূর্বক গুমের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে কর্তৃপক্ষ। পক্ষান্তরে তারা প্রহসনমূলকভাবে দাবি করে, ওইসব মানুষ আত্মগোপন করে আছেন।

বাংলাদেশি মানবাধিকার মনিটরদের তথ্যমতে, ২০০৯ সাল থেকে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা কমপক্ষে ৬০০ মানুষকে জোরপূর্বক গুম করেছে। কিছু মানুষকে পরে মুক্তি দেয়া হয়েছে, আদালতে তোলা হয়েছে অথবা বলা হয়েছে, নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয়েছেন তারা। এখনো প্রায় ১০০ মানুষ নিখোঁজ আছেন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী জোরপূর্বক গুমের অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি স্পেশালাইজড মেকানিজম প্রতিষ্ঠায় সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছে জাতিসংঘ।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র গবেষক জুলিয়া ব্লেকনার বলেন, জোরপূর্বক গুমের বাস্তবতাকে অব্যাহতভাবে অস্বীকার করে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ কাউকেই বোকা বানাতে পারছে না। পক্ষান্তরে তারা গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দুর্ভোগকে প্রলম্বিত করছে। এসব পরিবার জানে না তাদের প্রিয়জনরা কোথায় আছেন। এসব নির্যাতনের সমাধানের জন্য জোরপূর্বক গুমের তদন্তে জাতিসংঘ যে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন উন্মুক্ত করায় সহাযোগিতার কথা বলেছে, তার প্রতি খাঁটি প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করা উচিত সরকারের।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, নির্যাতন-নিপীড়ন, বিশেষ করে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এবং সংস্থাটির শীর্ষ কমান্ডারদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। তা সত্ত্বেও স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে গুমের অভিযোগ তদন্তের পরিবর্তে কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের পরিবারগুলোকে হয়রানি ও ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বলছে, পুলিশের কাছে নিখোঁজের বিষয়ে অভিযোগ করা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ বারবার স্বজনদের অবস্থানের বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। গুমে নিরাপত্তা বাহিনী জড়িত এমন প্রমাণ মুছে ফেলতে কর্মকর্তারা এ-সংক্রান্ত অভিযোগ প্রত্যাহার বা সংশোধনে পরিবারগুলোকে হুমকি ও চাপ দিয়ে আসছেন। পরিবারগুলো তাদের বাড়িতে কর্তৃপক্ষের উপস্থিত হওয়ার অভিযোগ করেছে। পরিবারের সদস্যদের গুম করা হয়নি, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে পুলিশকে বিভ্রান্ত করেছেন এমন মিথ্যা বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে তাদের বাধ্য করা হয়েছে বলে পরিবারগুলো অভিযোগ করেছে।

তবে বাংলাদেশ সরকার বরাবরই গুমের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেছেন, যাদের বিরুদ্ধে গুম হওয়ার অভিযোগে ওঠে, তাদের অনেকেই ঋণ বা বিভিন্ন কারণে স্বেচ্ছায় নিখোঁজ হন। পরে আবার তারা ফিরে আসেন।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © ukbdtv.com
       
themesba-lates1749691102