রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজ প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে এক চোরাকারবারী নিহত বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র বানানো আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ: পর্যটনমন্ত্রী তারেক রহমানকে যেভাবে জেআইসিতে নির্যাতন করা হয় আমরা যেন সোনার খনির ওপর বসে আছি, অথচ চামচ দিয়ে খনন করছি: বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এমপি নাসের রহমানের অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে সাভার থেকে গ্রেপ্তার-১ দলকে সুসংগঠিত ও জনমুখী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান-এমপি মুজিব এমপি নাসের রহমানের এআই তৈরী অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ঢাকা থেকে আ/সামি গ্রে/প্তা/র ঠাকুরগাঁওয়ে ইজিবাইক সহ গ্রেপ্তার ৪ কামরুল-জসিম প্যানেলের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

বৈষম্য বেড়েছে, অস্বীকার করব না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : রবিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ২২৫ এই পর্যন্ত দেখেছেন

দেশে উন্নয়নের পাশাপাশি বৈষম্য বেড়েছে, তা অস্বীকারের উপায় নেই বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। আজ রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের কার্নিভাল হলে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ আয়োজিত সূচনা চূড়ান্ত মূল্যায়ন ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘অনেকে বলে বৈষম্য বেড়েছে। হ্যাঁ বেড়েছে, তা অস্বীকার করি না। বৈষম্য বাড়ার কারণ হলো যাদের কাছে সম্পদ আছে, অর্থ, শিক্ষা, মেধা আছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শক্তিশালী তারা বেশি অর্জন করছে। যাদের অবস্থান শূন্যের কোঠায়, কিছুই নাই, ভূমিহীন প্রায় সমাজ থেকে বিচ্যুত বলা যায়, যাদের বিশ্বব্যাংকের মাপে দৈনিক আয় এক ডলারের নিচে ছিল সেই সংখ্যা ওখানে আর নেই। এখন আস্থা নিয়ে বলা যায়, না খেয়ে কেউ নেই।

তিনি বলেন, ‘দেশের প্রায় ৭০-৭৫ ভাগ মানুষ গ্রামে-গঞ্জে বসবাস করেন। যারা ঢাকার উচ্চবিত্ত বা উচ্চ মধ্যবিত্ত পর্যায়ের নন, যারা সুশীল সমাজ বা উন্নত নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি নন, তারাই আমাদের দেশের প্রকৃত মালিক। তারাই যুদ্ধ করেছেন, এখনো খেতে-খামারে কাজ করে কলকারখানায় আমাদের টিকিয়ে রেখেছেন। লুকাবার ব্যাপার নয়, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলি। তারা চান, আরও বেশি উন্নয়ন। তাদের যদি বলা হয়, এক গ্লাস গণতন্ত্র খাবে না এক গ্লাস উন্নয়ন খাবে? তারা এক গ্লাস উন্নয়নই নেবে। কারণ সেটা তার খুব দরকার এই মূহুর্তে।

ক্ষুধা ও দারিদ্রতা দূরীকরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ক্ষুধা দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্পূর্ণ না হলেও কমিয়ে আনা। আমরা মোটা দাগে দারিদ্র ৪০-৪৫ ছিল ৮-৯ সালে সেখানে এখন ১৮ দশমিক ৫ এ আছি। প্রচণ্ড দারিদ্র ৪-৫ এর মধ্যে আছে। আমাদের সাহস এসেছে যে আমরা ধারাবাহিক কাজ চালিয়ে গেলে আমরা এটাকে নির্মূল করতে পারব।

এম এ মান্নান আরও বলেন, ‘খাবার পানি, স্যানিটেশন, প্রাথমিক শিক্ষা, শিশুদের টিকা, মহিলাদের সচেতনকরণ, বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়া প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের যে অচলায়তন ছিল আমাদের হাজার বছরের সেগুলো আমরা ঠেলে কিছুটা দূরে সড়াতে পেরেছি। এখন আমাদের জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য। ক্ষমতার জন্য নয়।

নিউজ /এমএসএম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © ukbdtv.com
       
themesba-lates1749691102