সুনামগঞ্জে পাকনার হাওরে কৃষকদের মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টায় পাকনা হাওরে লক্ষীপুর, সোনাপুর,বান্দের হাটি, দুর্গাপুর গ্রাম বাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়।
সরকারী খাস ভূমি ও গ্রামবাসীর তালুকদারের লায়েক পতিত এজমালী ২৫ একর জায়গা দীর্ঘদিন যাবত গোচারণ ভূমি ছিল। অবৈধ মাটি কাটা ও অপরিকল্পিত ভাবে ভ্যাকু ও হাইড্রোলিক লরি (ট্রাক) দ্বারা মাটি কেটে হাওরের চলাচলের রাস্তা বিনষ্ট করে আসছে। গত বছরের ন্যায় এ বছরেও উক্ত স্থান হতে মাটিকেটে বিক্রয় শুরু করছেন জামালগন্জ সদর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য সদস্য কামরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে আমিরুল ইসলাম, আবু তাহের, ইকবাল হোসেন গং।
জানাযায়, তাদের বিরুদ্ধে বুধবার জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর গ্রামবাসী স্বাক্ষরিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বাঁধা নিষেধ উপেক্ষা করে গোচরণ ও রাস্তার মাটি কাটা অব্যাহত রেখেছে প্রভাবশালীরা। দ্রুত এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পাকনা হাওরে কৃষকদের মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন গন্যমান্য ব্যাক্তি আব্দুল ওহাব তালুকদার খুকু মিয়া, ফখর উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন, বাদল মিয়া, মোশারফ হোসেন, প্রভুদ দাস, এনাম উদ্দিন প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, অন্য বছরের ন্যায় এবারও ভুমি খেকো সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম নেতৃত্বে সরকারী খাস ভুমি, এজামালী গোচরণ ও হাওরে কৃষক চলাচলের রাস্তার মাটি কেটে বিক্রয় শুরু করেছে। অচিরেই মাটিকাটা বন্ধ না করলে এলাকাবাসী গোচরণ ও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে, গবাদী পশু ও হাওর থেকে ধান কেটে নিয়ে আসার রাস্তা একে বারে বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা সাধারণ মানুষ স্থানীয় প্রশাসন সহ জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করি, যাতে অচিরেই অবৈধ কাজ বন্ধ করা হয়।