রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র বানানো আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ: পর্যটনমন্ত্রী তারেক রহমানকে যেভাবে জেআইসিতে নির্যাতন করা হয় আমরা যেন সোনার খনির ওপর বসে আছি, অথচ চামচ দিয়ে খনন করছি: বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এমপি নাসের রহমানের অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে সাভার থেকে গ্রেপ্তার-১ দলকে সুসংগঠিত ও জনমুখী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান-এমপি মুজিব এমপি নাসের রহমানের এআই তৈরী অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ঢাকা থেকে আ/সামি গ্রে/প্তা/র ঠাকুরগাঁওয়ে ইজিবাইক সহ গ্রেপ্তার ৪ কামরুল-জসিম প্যানেলের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ওয়েলসবাসীর ভালোবাসায় রাইট অনারেবল রডরি মর্গানের ভাস্কর্য উদ্বোধিত ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবাসহ যুবক আটক

চট্টগ্রামের

পাহাড়গুলোর তালিকা ও বর্তমান অবস্থান জানতে চায় হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খবর আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ১৯৪ এই পর্যন্ত দেখেছেন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার সব পাহাড়ের তালিকা (দাগ ও খতিয়ানসহ) এবং পাহাড়গুলোর বর্তমান অবস্থা প্রতিবেদন আকারে আগামী ৩ মাসের মধ্যে দাখিল করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরিবেশসচিব, ভূমিসচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্তসচিব, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেয়া হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আজ মঙ্গলবার আদেশ দেন। এসময় বেলার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী এস হাসানুল বান্না।

এস হাসানুল জানান, চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলার পাহাড়গুলো ক্ষতি, ধ্বংস ও কাটা থেকে রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে, পাহাড় ও টিলা কাটার বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা প্রতিপালন করতে এবং প্রতিটি পাহাড় প্রদর্শন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে, এমন পাহাড়ে দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষরোপণ এবং দেয়াল দিয়ে সুরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ে আগামী ৩ মাসের মধ্যে বিবাদীদের আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে অবস্থিত পাহাড়গুলো কাটা বন্ধে ২০১১ সালে জনস্বার্থে রিট করে বেলা। এর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১২ সালের ১৯ মার্চ হাইকোর্ট কয়েক দফা নির্দেশনাসহ রায় দেন। জেলাগুলোতে অবস্থিত সব পাহাড় কাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে ওই এলাকায় পাহাড় কেটে কোনো আবাসন প্রকল্প বা ইটভাটা স্থাপন করা হয়ে থাকলে তা ভেঙে ফেলা এবং পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

নিউজ/এম.এস.এম

দয়া করে খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো যেসব খবর রয়েছে
All rights reserved © ukbdtv.com
       
themesba-lates1749691102