
শিশু-কিশোরদের ভুলে ভরা পাঠ্যপুস্তক বিতরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
সোমবার (২ জাুনয়ারি) ফ্রন্টের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ ও সাধারণ সম্পাদক শোভন রহমান এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, গতকাল রবিবার বছরের প্রথম দিন ঘটা করে বই উৎসব করে শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে ভুলে ভরা ও অত্যন্ত নিম্নমানের কাগজে ছাপানো বই। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের নানা অনুসন্ধানে এসব ভুল উঠে আসছে। শুধুমাত্র নবম-দশম শ্রেণির তিনটি বইয়ে ৩০টিরও বেশি অসঙ্গতি খুঁজে পাওয়া গেছে। ভুলের বৃত্ত থেকে কোনোভাবেই বের হতে পারছে না এনসিটিবি। জবাবদিহিতা না থাকা, অবহেলা ও অনিয়মের কারণে বছরের প্রথম দিন শিশুদের হাতে বই তুলে দেয়ার কর্মসূচি লোক দেখানো এবং আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত হয়েছে। বছরের পর বছর এভাবে ভুলে ভরা বই প্রদান শিক্ষার্থীদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিতর্কিত এসব বই বিতরণের মধ্য দিয়ে শিক্ষার গুণগত মান নেমে গেছে শূন্যের কোটায়।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, এবারের বই ছাপানো হয়েছে খুবই নিম্নমানের কাগজে, ফলে বইগুলো খুব বেশিদিন টেকসই না হবার আশঙ্কা করছেন অভিভাবকেরা। আর নিম্নমানের বই দিয়ে লেখাপড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহও ধ্বংস করা হচ্ছে। এছাড়াও সকল বিষয়ের বই একসঙ্গে সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে এনসিটিবি। প্রতি শ্রেণিতে তিন থেকে চারটি বিষয়ের বই সরবরাহ করা গেছে। অন্য বিষয়ের পাঠ্যবই কবে নাগাদ সরবরাহ করা হবে তা নিয়ে কোন সুনির্দিষ্ট বক্তব্য নেই।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিতর্কিত পাঠ্যপুস্তক নিয়ে এনসিটিবির সমালোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু এখনো সংশ্লিষ্ট কারোরই কোনো শাস্তি হয়নি। উপরন্তু বছরের পর বছর এভাবেই চলছে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম। এই ঘটনা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত। নেতারা অবিলম্বে ভুলে ভরা নিম্নমানের পাঠ্যপুস্তক প্রত্যাহার করে সব শ্রেণির সব বিষয়ে মানসম্মত নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণের দাবি জানান। পাশাপাশি ভুলে ভরা নিম্নমানের বিতর্কিত পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত এনসিটিবি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি করেন তারা।
নিউজ /এমএসএম
Bangladesh Office: Mostofapur Road (In Front Of Sadar Hospital), Moulvibazar-3200
UK Office: Alam House, Bristol, UK. E-mail: news.ukbdtv@gmail.com, ukbdtv@gmail.com
Copyright © 2026 ইউকে বিডি টিভি. All rights reserved.