
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সেঞ্চুরি বিরলই। লম্বা সময়ে দ্য গ্রিন ম্যানদের বিপক্ষে মোটে ছয় জন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের দেখা পেয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মুশি। হাবিবুল বাশার সুমন, জাভেদ ওমর বেলিম, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, লিটন কুমার দাস এবং ইমরুল কায়েসের পর সেঞ্চুরি পেলেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। এরপর দেখেশুনে খেলে দেড়শ রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন মুশি। ২৮৬ বলে ১৫০ ছুঁয়েছেন তিনি। এর আগে, দ্বিতীয় সেশনে প্রথম ইনিংসের ১৩৭তম ওভারে লিড নেয় বাংলাদেশ।
এদিকে মুশফিককে দারুণ সঙ্গ দিয়ে মিরাজও ফিফটির দেখা পেয়েছেন। ১২০ বল মোকাবিলায় ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। মুশফিকের সঙ্গে তার অবিচ্ছিন্ন জুটিও ১৫০ রান পেরিয়েছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৪ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৪৬ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৮২ রান। ১৬০ রানে ব্যাট করছেন মুশফিক। অন্যপ্রান্তে ৫০ রানে অপরাজিত মিরাজ।
এর আগে, ১৩২ রানে পিছিয়ে থেকে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতেই শতরান পেরিয়ে যায় মুশফিকুর ও লিটন জুটি। তবে এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লিটন।
আগের দিনে নাসিম শাহকে বড্ড ভুগিয়েছিলেন লিটন। এই পেসারের এক ওভারে ১৮ রান তুলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেছিলেন এলকেডি। সেই নাসিমই লিটনকে ফেরান।
চতুর্থ দিনের নবম ওভারে নাসিমের হাত ধরে প্রথম সাফল্য পায় পাকিস্তান। নাসিমের অফ-স্টাম্পের বাইরে শট লেংথের ডেলিভারি কাট করতে চেয়েছিলেন লিটন। তবে ব্যাটের কিনারায় লেগে সরাসরি উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে গিয়ে পড়ে। লিটন ফেরায় তাদের ১১৪ রানের জুটি ভাঙে। ফেরার আগে ৫৬ রানের ইনিংস সাজান উইকেটকিপার এই ব্যাটার।
এরপর মেহেদী মিরাজকে সঙ্গে গিয়ে দলীয় রানের চাকা সচল রাখেন মুশফিকুর রহিম। পিচ আঁকড়ে ধরে ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরিও তুলে নেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। দ্য গ্রিন ম্যানদের বিপক্ষে এটি তার প্রথম সেঞ্চুরি। সব মিলিয়ে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে পাকিস্তানের মাটিতে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁলেন মুশি। এই সেঞ্চুরিতে তামিম ইকবালকেও (১০টি সেঞ্চুরি) যান তিনি। মুশফিকের সেঞ্চুরির পরপরই মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় লাল-সবুজেরা। শেষমেশ চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৮৯ রান।
এর আগে, দ্বিতীয় দিনে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৪৮ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। রিজওয়ান ২৩৯ বলে ১৭১ রানে এবং শাহিন শাহ আফ্রিদি ২৪ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। এ ছাড়া সৌদ শাকিল করেন ১৪১ রান।
লাল-সবুজের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন হাসান ও শরিফুল। এ ছাড়া সাকিব এবং মেহেদীর শিকার একটি করে উইকেট।
নিউজ /এমএসএম
Bangladesh Office: Mostofapur Road (In Front Of Sadar Hospital), Moulvibazar-3200
UK Office: Alam House, Bristol, UK. E-mail: news.ukbdtv@gmail.com, ukbdtv@gmail.com
Copyright © 2026 ইউকে বিডি টিভি. All rights reserved.